ক) বিশেষ্য থেকে বিশেষণ: বিশেষ্য শব্দের শেষে প্রত্যয় যোগ করে বিশেষণ শব্দ গঠন করা হয়। যেমন-বিশেষ্য: জল, বিশেষণ: জলা (জল+আ); ঢাকা ঢাকাই (ঢাকা+আই); দিন দৈনিক (দিন+ইক); নিচ নিচু (নিচ+উ); মাটি মেটে (মাটি+এ)।
খ) বিশেষণ থেকে বিশেষ্য : যে ভাষিক উপাদানের সাহায্যে বিশেষণ শব্দ তৈরি হয়েছে, সেই ভাষিক উপাদানটি বিচ্ছিন্ন করলেই বিশেষ্য শব্দ পাওয়া যায়। যেমন- মিঠাই (মিঠা+আই) মিঠা; চালাকি চালাক; নীলিমা নীল; লালিমা (লাল+ইমা) লাল।
আমাদের ভাষায় এমন কিছু শব্দ রয়েছে যেগুলোর কোনোটি (ক) পুরুষবাচক, আবার কোনোটি (খ) নারীবাচক। আবার কোনো কোনো শব্দ পুরুষ বা নারীকে না বুঝিয়ে প্রাণহীন জিনিসকে বোঝায়। কোনো কোনো শব্দ আবার নারী ও পুরুষ উভয়কে বোঝাতে পারে। যেমন- চিকিৎসক, মন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, উপাচার্য ইত্যাদি।
ক) পুরুষবাচক বিশেষ্য : যে-শব্দ কেবল পুরুষকে নির্দেশ করে, তাকে পুরুষবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন-কাকা, চাচা, দাদা, নানা, মামা, ভাই, স্বামী ইত্যাদি।
খ) নারীবাচক শব্দ: যে-শব্দে কেবল নারীকে নির্দেশ করে, তাকে নারীবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন- মা, চাচি, কাকি, খালা, মামি, ভাবি, স্ত্রী, মাতা ইত্যাদি।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ক) পুরুষবাচক বিশেষ্য থেকে নারীবাচক বিশেষ্য: আব্বা-আম্মা; চাচা-চাচি; মামা-মামি; ভাই-ভাবি; নানা-নানি; স্বামী-স্ত্রী। দাদা-বৌদি; দেওর-জা; পতি-পত্নী; শ্বশুর- শাশুড়ি; জেঠা-জেঠি; নায়ক-নায়িকা; বালক-বালিকা; ময়ূর-ময়ূরী; সিংহ-সিংহী; বর-বধূ।